সর্ব্ব প্রথমে, ঈশ্বর আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন।
তাঁর নিখুঁত জ্ঞান, শক্তি ও ঐশ্বর্য প্রদর্শন করেছিলেন।
ঈশ্বর নর ও নারীকে তাঁর প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেছিলেন,
তাদেরকে সন্মান আর সৃষ্টিকর্তাকে জানার উদ্দেশ্যের সাথে পূর্ণ করেছিলেন
এবং তাঁর হয়ে পৃথিবীতে কৃতিত্ব করতে দিয়েছিলেন।
মানুষ ও ঈশ্বরের মধ্যে একটি নিখুঁত সম্পর্ক তৈরী হয়।
তথাপি, তারা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে,
মনে করেছিল তারা ঈশ্বরের মত হতে পারবেন, নিজেরাই নিজেদের মহিমার উৎস হবেন। তা করতে গিয়ে
তারা পাপ করলেন।
পাপ তাদেরকে কলঙ্কিত করেছিল,
মানুষ ও সৃষ্টিকর্তার মধ্যতার যোগাযোগ নষ্ট করেছিল।
সমস্ত মানুষ ঈশ্বর থেকে সেই বিচ্ছেদের ভাগী হয়েছিল।
আমরা এই শূন্যতা অনুভব করি এবং পূর্ণ করার চেষ্টা করি।
বাবিলে, তারা ঈশ্বরের মত হতে একটি দূর্গ তৈরী করেছিল।
তাদের ন্যায়, আমরাও নিজেরা নিজেদের সন্মান ও উদ্দেশ্যের উৎস হতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয়েছি।
মানুষের ইচ্ছা তবুও সফল হয় না, এবং ধ্বংসাত্বক পরিণতি হয়।
পাপ মানুষকে পীড়া দেয়,
পরিবারের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং ঈশ্বরের নিকট থেকে আমাদেরকে পৃথক করে।
বরং ঈশ্বর, যিনি আমাদের প্রতি অতিশয় দয়াবান ও প্রেমময়, সেই কারণে,
মানুষের রক্ষার্থে তিনি পরিকল্পনা করেন।
তিনি প্রতিজ্ঞাত মসীহ, যীশুকে পাঠালেন,
যেন সৃষ্টিকর্তার সাথে মানুষকে পুনর্মিলিত করতে পারেন।
যীশু অনেক আশ্চর্য কাজ করেছিলেন,
শিক্ষক হয়ে শিক্ষা দিয়েছিলেন, এবং অবহেলিতদের সাথে আহার করেছিলেন।
তিনি ঈশ্বরের ভোজটেবিলের এক মহা ভোজের বিষয়ে বলেছিলেন
যেখানে প্রত্যেকেই সম্মানিত অতিথি হতে পারবে।
অসুস্থ আর অবহেলিতরা তাঁর কাছে এসেছিল,
এবং যীশুকে অশুচি করার পরিবর্তে, বরং তারা সুস্থ্য হয়ে ফিরে গিয়েছিল এবং পুনর্গঠিত হয়েছিল।
তা স্বত্বেও মানুষ পুনরায় বিদ্রোহ করেছিল।
যীশু তা হতে দিয়েছিলেন।
তিনি সমস্ত গ্লানি এবং অপমান সহ্য করেছিলেন যতটা মানুষ দিতে পারত।
তাঁর মৃত্যুর আগের মুহূর্তগুলোতে,
যীশু অলৌকিকভাবে আমাদের সমস্ত পাপ এবং লজ্জা নিজের উপর তুলে নিয়েছিলেন...
ঈশ্বরের ক্রোধ ভোগ করেছিলেন এবং ঈশ্বরের থেকে মানুষের বিচ্ছেদের কষ্ট সহ্য করেছিলেন।
কেননা যীশুর নিজেকে বলি দেওয়া ব্যতিরেকে,
মানুষ কখনো ভালো কর্ম বা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেকে পুনর্গঠিত হতে পারবে না
আর ঈশ্বরের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারে না।
তাই ঈশ্বর যীশুকে মৃত্যু থেকে উত্থিত করেছিলেন!
তিনি সম্পূর্ণভাবে মানবজাতির পাপ ও লজ্জাকে জয় করেছিলেন।
তিনি দেখিয়েছিলেন যে, সত্যিকার মহিমা ঈশ্বর থেকেই আসে
এবং পৃথিবীর কোনো কিছুর দ্বারা তা নষ্ট করা যায় না।
তিনি আমাদেরকে সৃষ্টিকর্তার সাথে পুনর্মিলনের সম্পর্কের মধ্যে প্রবেশ করতে আমন্ত্রণ জানিয়ে স্বর্গে চলে যান,
আর মর্যাদা ও উদ্দেশ্যকে সম্মানের প্রকৃত উৎস থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।
আপনি কি তাঁর সেই আমন্ত্রণকে গ্রহণ করবেন?
আপনি যদি ঈশ্বরের সাথে আপনার সম্পর্কটিকে পুনর্গঠিত করতে চান,
তবে আপনি আপনার বিশ্বাসকে প্রার্থনায় ব্যক্ত করতে পারেন।